রিতার গ্রামের বাড়ি Ritar Gramer Bari
রিতার গ্রামের বাড়ির বাঁশের প্রবেশদ্বার

এটা রিসোর্ট না,
এইটা একটি গ্রামের বাড়ি।

শহর থেকে একটু দূরে, গাছের ছায়া আর মানুষের উষ্ণতায় ধীরে থাকার জায়গা।

↓ নিচে দেখুন

বাড়ির গল্প

ধীরে ধীরে তৈরি, মানুষের হাতে

এই বাড়িটা খুব সাজানো কথার জন্য বানানো হয়নি। কোথাও কাঠ, কোথাও ইট, কোথাও পুরোনো দিনের ছোঁয়া। সকালে আলো পড়ে উঠানে, বিকেলে গাছের ছায়া নড়ে, আর রাত হলে জায়গাটা একটু অন্যরকম শান্ত হয়ে যায়।

পুরো গল্প পড়ুন

পুরো বাড়িটা একবার চোখে দেখে নিন

ছবিতে অনেক কিছু বোঝা যায়, কিন্তু এই ভিডিওতে জায়গাটার চলাফেরা, আলো, উঠান, ঘর আর চারপাশের শান্ত ভাবটা একসাথে দেখা যায়। আসার আগে দুই মিনিট সময় নিয়ে দেখে নিলে রিতার গ্রামের বাড়ির অনুভূতিটা আরও পরিষ্কার হবে।

থাকার কথা

থাকা এখানে একটু ঘরের মতো

রিতার গ্রামের বাড়িতে আসার আনন্দটা রুমের মাপ দিয়ে বোঝানো যায় না। এখানে উঠান আছে, কাঠের ঘরের গন্ধ আছে, রাতের আলো আছে, আর কাছের মানুষদের সঙ্গে নিরিবিলি সময় কাটানোর জায়গা আছে। তাই তারিখ ও মানুষসংখ্যা মিলিয়ে আগে কথা বললেই সবচেয়ে ভালোভাবে আয়োজন করা যায়।

ঘরের মতো থাকা

এখানে থাকা মানে চকচকে হোটেল সার্ভিস না। নিজের মানুষের সঙ্গে একটু ধীরে বসা, উঠান দেখা, আর শান্তভাবে রাত কাটানো।

খাবারের গন্ধ

খাবার এখানে আলাদা একটা স্মৃতি। আগে কথা বলে নিলে মানুষ, সময় আর আয়োজন অনুযায়ী খাবারের ব্যাপারটা মিলিয়ে নেওয়া যায়।

ছোট দলের জন্য ভালো

পরিবার, বন্ধু বা কাছের মানুষদের ছোট দল নিয়ে এলে জায়গাটার আসল সৌন্দর্য বোঝা যায়। ভিড়ের চেয়ে আপনভাবটাই এখানে বড়।

ঘরের ছবি

ভেতরের জায়গাগুলো

ঘরের ভেতরের ছবিগুলো দেখে জায়গাটার কাঠ, আলো আর সরল সাজটা বোঝা যাবে। বুকিংয়ের আগে ফোনে কথা বললে কোনভাবে থাকা আর খাবার মিলবে, সেটা পরিষ্কার করে নেওয়া যায়।

খাবার, রাত, প্রকৃতি

যে স্মৃতি ছবির বাইরেও থাকে

আমরা সাধারণত অতিথিদের নিজের খাবার নিয়ে আসতে বলি। রান্নার জন্য চুলা, লাকডি ও প্রয়োজনীয় সাধারণ জিনিস আমরা দিতে পারি। চাইলে আমরা খাবারের আয়োজনও করতে পারি, তবে সেটি সীমিত এবং বুকিংয়ের সময় আগে জানাতে হবে। সাধারণ বাঙালি খাবার যেমন ডাল-ভাত-মাছ, খিচুড়ি ইত্যাদি পাওয়া যেতে পারে।

খাবারসহ বুকিং জানান

যোগাযোগ

আসার আগে বুকিং করুন

কবে আসতে চান, কয়জন, খাবার কী হবে — ফর্মে লিখে দিলে আমরা কথা বলে সব ঠিক করে নেব।